শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ভারতীয় নেশা জাতীয় ফেন্সিডিল ও ফেয়ারডিল এবং ইস্কাফ সিরাপ জব্দ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎লালমনিরহাট জেলায় দেশী মাছের বড় আকাল ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট এবং ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল জব্দ তিস্তা আন্দোলন সফল হয়েছে; এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে-মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন সামাজিক বিপ্লব ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কঠোর হুঁশিয়ারি-মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন-পুরাতন হাজীদের পরিচিতি ও দোয়া অনুষ্ঠিত ভারতীয় গাঁজা এবং নেশা জাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ আলোকিত লালমনিরহাটের আয়োজনে যৌতুকবিহীন বিবাহ অনুষ্ঠিত সরকার স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে-লালমনিরহাটে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি
লালমনিরহাটে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহের ব্যবস্থা না থাকায় পাকা রাস্তা ভাঙ্গণ ও ফসলি জমি নষ্ট

লালমনিরহাটে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহের ব্যবস্থা না থাকায় পাকা রাস্তা ভাঙ্গণ ও ফসলি জমি নষ্ট

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাটের শতকরা ৮০ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যতার সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকে। দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাপক হারে ক্ষতি সাধিত হচ্ছে খেটে খাওয়া গরীব মেহনতি কৃষকদের, যেন দেখার কেউ নেই।

 

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বস্তিখাটামারী এলাকার জমির উদ্দিন মোল্লার বাড়ি সংলগ্ন পানি প্রবাহের কারণে ফসলি জমি নষ্ট এবং পাকা রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

 

জানা গেছে, একই ইউনিয়নের টিকটিকিরহাট হইতে মামা ভাগিনা বাজারের পাকা রাস্তার পাশ দিয়ে সাকোয়া, বড়ুয়া, ছড়ার পাড়, বারহাত কালিরপাঠ, টিকটিকিরহাট, বস্তিখাটামারিসহ কয়েকটি গ্রামের পানি এখান দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রত্নাই নদীতে গিয়ে পানি মিলিত হয়।

 

ভুক্তভোগী জমির উদ্দিন মোল্লা বলেন, পানির জলাবদ্ধতার কারনে কয়েক বছর ইরি-বোরো এবং আমন মৌসুমে কেউ ফসল উৎপাদন করতে পারতো না। তাই তিনি নিজ উদ্যোগে ২০১৫ সালে কালভার্ট তৈরী করেন। ২০১৭ সালের বন্যার পানিতে কালভার্টটি ভেঙ্গে যায়। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও চেয়ারম্যানের কাছে একাধিকবার গিয়েও কোন সুফল পাইনি। পরে জমির উদ্দিন মোল্লা নিরুপায় হয়ে নিজ উদ্যোগে আবার নতুন করে একটি কালভার্ট তৈরী করেন। যা সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টির ভারী বর্ষনে অধিক পানি প্রবাহের ফলে আবার ভেঙ্গে যায়।

 

উক্ত এলাকার ভুক্তভোগী কৃষক আমিনুল ইসলাম ও সাহেব আলী মোল্লা বলেন, কয়েক গ্রামের পানি এইখান দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি প্রবাহের পর্যাপ্ত যায়গা না থাকায় ইরি-বোরো ও আমন দুই মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে আমাদের ফসল প্রতি বছরই নষ্ট হয়।

 

ভুক্তভোগীরা হলেন- সাইদুল ইসলাম, নিপিন, ডিজেন, মঙ্গল, সুনিল, সুজিত, জগদীশ চন্দ্র রায় কানু, বিমল চন্দ্র, ওমর আলী, বাদল, ইজ্জত মোল্লা, নায়ব আলীসহ আরও অনেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone